
উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনে Iran নতুন কৌশল নিয়েছে। Iraq ও Pakistan-এর সঙ্গে পৃথক চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নিজেদের সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে তেহরান।
Strait of Hormuz দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত। এখান দিয়ে সাধারণত বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে।
অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের বিশ্লেষক ক্লদিও স্টয়ার জানান, ইরান এখন সরাসরি প্রণালি বন্ধ না করে এর প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে হরমুজ আর নিরপেক্ষ নৌপথ নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত করিডরে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি বাগদাদ ও তেহরানের মধ্যে এক অপ্রকাশিত সমঝোতার আওতায় ইরাকের তেলবাহী দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল। ভবিষ্যতে আরও জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের অনুমোদন নিশ্চিত করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরাক, যার বাজেট আয়ের ৯৫ শতাংশই তেল রপ্তানিনির্ভর।
অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গেও সমঝোতার পর কাতারের এলএনজি বহনকারী ট্যাংকারগুলো পাকিস্তানের পথে রয়েছে। যুদ্ধের আগে প্রতি মাসে প্রায় ১০টি এলএনজি কার্গো পেলেও বর্তমানে জ্বালানি সংকটে পড়েছে ইসলামাবাদ।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তিগুলো ইরানের কৌশলগত প্রভাব আরও বাড়িয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং ইউরোপ ও এশিয়ায় এলএনজির দামও ৩৫-৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, সংঘাত শেষে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় ইরান। এ লক্ষ্যে তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণ এবং জব্দ সম্পদে প্রবেশাধিকারের দাবি জানিয়েছে। তবে Donald Trump এসব দাবিকে নাকচ করে দেওয়ায় সমাধানের পথ আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সূত্র:
রয়টার্স
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন