
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া নতুন চুক্তির প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ কমেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তেলের দাম হ্রাস পাওয়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কাও কিছুটা কমেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩১১ দশমিক ৮৩ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছর সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিলে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে যায়। তবে পরদিন বাজারে পরিস্থিতির পরিবর্তন দেখা যায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের দিনের বড় পতনের পর বিনিয়োগকারীরা শর্ট পজিশন বন্ধ করতে শুরু করেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ইতিবাচক বার্তা বাজারে আস্থার সঞ্চার করে।
ওএএনডিএর জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, “বুধবারের বড় পতনের পর বিনিয়োগকারীরা শর্ট পজিশন গুটিয়ে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ফলে তেলের দাম কমেছে, যা স্বর্ণের বাজারকে সহায়তা করেছে।”
বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান তাদের অন্তর্বর্তী চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করে। ১৪ দফার ওই চুক্তির আওতায় পূর্বে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাধারণত তেলের উচ্চ মূল্য মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ায় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার বাড়ানোর দিকে ঠেলে দেয়। অন্যদিকে সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের আকর্ষণ কমে যায়।
তবে কেলভিন ওং সতর্ক করে বলেছেন, ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর অবস্থানের কারণে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি দীর্ঘমেয়াদে সীমিত থাকতে পারে। বাজার এখনো সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৯ দশমিক ০৩ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৫৯ দশমিক ৭৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ দশমিক ২৬ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
সূত্র:
রয়টার্স।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন