
পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত বেইলি সেতু পুনর্নির্মাণের দীর্ঘ ১৩ দিন পর আবারও সচল হয়েছে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে সব ধরনের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়ায় দুই জেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
জানা গেছে, গত ১২ জুলাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় শিলক খালের ওপর নির্মিত বেইলি সেতুর একাংশ পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করে বান্দরবান সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।
বান্দরবান সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই সেতুর মূল নির্মাণকাজ শেষ হয়। শুক্রবার পরীক্ষামূলকভাবে ছোট যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি সন্তোষজনক হওয়ায় শনিবার সকাল থেকে বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, শুধু সেতুই নয়, পাহাড়ি ঢলে সেতুর সংযোগ সড়কের প্রায় ১৫০ ফুট অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা দিন-রাত কাজ করেছেন। তার ভাষ্য, শিলক খালের ওপর থাকা একটি রাবার ড্যামে পাহাড়ি ঢলের পানি বাধাপ্রাপ্ত হয়ে গতিপথ পরিবর্তন করায় প্রবল স্রোত সেতুর ওপর আঘাত হানে এবং এর একাংশ ধসে পড়ে।
সড়কটি চালু হওয়ায় দুই জেলার পরিবহন ব্যবস্থায় স্বস্তি ফিরেছে। বান্দরবান জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম বলেন, রাঙামাটি ও বান্দরবানের মধ্যে বাস চলাচল পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে অনেক যাত্রী এখনও সড়ক চালুর খবর না জানায় প্রথম দিনে যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকতে পারে।
গত প্রায় দুই সপ্তাহ সড়কটি বন্ধ থাকায় যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যয়ও বহন করতে হয়েছে। সড়কটি পুনরায় চালু হওয়ায় দুই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন