
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচার—এসব কোনো গোপন আলোচনার বিষয় নয়।”
তিনি জানান, কারাগারে যেতে তিনি ভয় পান না। অতীতেও তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। ১৯৮১ সালে নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার পর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় তাঁকে বারবার আটক করা হয়। এছাড়া ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগে আবারও কারাবন্দি হন। পরে মুক্তি পেয়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন।
২০২৪ সালে দেশ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁর সরকারি বাসভবনের দিকে এগিয়ে আসছিল এবং তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতেই পারে। কোনো সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু একটি সরকারের ভালো-মন্দ, সঠিক-ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি।”
আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনের বিষয়ে তিনি জানান, অনলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টির নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছেন।
বক্তব্যের শেষাংশে শেখ হাসিনা বলেন, “তারা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। হয়তো আমি আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারব না। কিন্তু আওয়ামী লীগকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে? যদি আমরা খারাপ কাজ করে থাকি, তাহলে জনগণই তার বিচার করুক।”
প্রতিবেদন: রয়টার্স
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন