
ভারতে পরীক্ষাসংক্রান্ত কেলেঙ্কারি, জবাবদিহি ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে রূপ নিয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইনভিত্তিক ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর নেতৃত্বে চলমান এই আন্দোলন বিরোধী দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার পর আরও জোরালো হয়েছে।
আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখন বিক্ষোভকারীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করছেন। আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা যন্তর মন্তর ছাড়বেন না।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতেই এই আন্দোলন। তার দাবি, দীর্ঘদিন পর দেশের তরুণরা নিজেদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন।
বিরোধী দল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী পুলিশের দমন-পীড়নের সমালোচনা করে সরকারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীরব রয়েছেন।
গত মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরে বেকারত্ব, কর্মসংস্থান, পরীক্ষায় অনিয়ম এবং সরকারের নীতির সমালোচনাসহ বিভিন্ন ইস্যু আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
এদিকে, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় দেশ-বিদেশে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে সরকার জবাবদিহি ও প্রয়োজনীয় সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে আন্দোলনকারীরা বলছেন, বাস্তব পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন