
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (এফবিএস) ও মলচত্বর-সংলগ্ন গেটের সামনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িতে থাকা দুজনকে মারধর করেন এবং প্রাইভেট কারটি ভাঙচুর করেন। আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ঘটনার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। অন্য কয়েকজন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার দ্রুতগতিতে এসে তাঁদের ধাক্কা দেয়। এতে পাঁচ থেকে ছয়জন শিক্ষার্থী আহত হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
আহতদের মধ্যে দুজনের পা কেটে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানা গেছে। কয়েকজন গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। তবে তাঁদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
জানা গেছে, দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেট কারটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের। ঘটনার সময় তাঁর ছেলে সাদমান গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং গাড়ির গতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান বলেন, বিকট শব্দ শুনে তিনি রাস্তায় এসে দেখেন, গাড়িটি একটি রিকশাকে জোরে ধাক্কা দিয়েছে। এতে রিকশায় থাকা শিক্ষার্থীরা ছিটকে পড়ে যান এবং কয়েকজন আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িতে থাকা দুজনকে মারধর করেন এবং গাড়িটি ভাঙচুর করেন। তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন প্রাং দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশা থেকে পড়ে গেছেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনা না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।
গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু এরপর কাউকে মারধর করে ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়াও উদ্বেগজনক।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, আহত শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ অবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন