
কচুয়া উপজেলার জরিনা বাজার এলাকায় সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, আটকের পর তাকে আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মে রাতে জরিনা বাজার এলাকা থেকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রোকন খানকে আটক করেন নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই বিশ্বজিৎ। পরে তাকে গোপনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
মুক্তি পাওয়ার পর ‘Rokon Khan’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে তিনি মুক্তি পান।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ সময় অনেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্টটি মুছে ফেলা হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ অভিযোগ করেছেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বিশ্বজিৎ বলেন, একটি ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গিয়ে রোকনুজ্জামান খান নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে ওয়ারেন্টভুক্ত ব্যক্তির পরিচয়ের সঙ্গে তার পরিচয়ের মিল না পাওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আটকের সময় তিনি জানতেন না যে ওই ব্যক্তি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভুল শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন