
তারেক রহমান বলেন, টোকিওর রাস্তাঘাটে সাধারণত ময়লা-আবর্জনা চোখে পড়ে না। অন্যদিকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকতে দেখা যায়। এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় আবর্জনা জমে থাকলে সেখান থেকে রোগজীবাণু ছড়াতে পারে। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, রাস্তায় আবর্জনার কারণে মানুষের চলাচলে যেন ভোগান্তি না হয় এবং বায়ুদূষণের কারণে মানুষকে যেন অসুস্থ হতে না হয়, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে এমন সংস্কার প্রয়োজন, যার সুফল সমাজের প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছে পৌঁছায়। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করাই সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ধনী-গরিব নির্বিশেষে নগরবাসী উপকৃত হবেন। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
তারেক রহমানের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে—এমন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীদের পরিবারসহ দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। তাই দলমত নির্বিশেষে এসব উদ্যোগের প্রতি সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি বলছি না যে বিএনপিকে ভোট দেন। কাজগুলো যদি আপনাদের কাছে সঠিক মনে হয়, তাহলে সমর্থন দেন, যাতে আমরা সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, এমন সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী উপকৃত হয়। এসব কাজ বাস্তবায়নে পরিশ্রম, ধৈর্য ও ঐক্য দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসীদের সামনে বিভিন্ন খাতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শিশুদের জাপানি ভাষা শেখানো, স্বাস্থ্যসেবা ও খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করা, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সফরসঙ্গীরা।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।
সারা বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
📞 ফোন: 01405689747
📧 ইমেইল: news@bastobchitro24.com
📍 Bastobchitro24 News Team
মন্তব্য করুন