1. rashidarita21@gmail.com : bastobchitro :
টাকার মান আরও কমেছে | Bastob Chitro24
মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিজেপি ৪০০ পার করলে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যাবে ডেঙ্গু নিয়ে মিথ্যাচার করছেন মেয়র তাপস: সাঈদ খোকন বাজারভিত্তিক সুদহারে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত বাংলাদেশ ব্যাংকের কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী কালচারাল অফিসার সুজন রহমানের পারিবারিক সংগঠনের সন্ধান ১৩৯ উপজেলায় দলীয় প্রতীকহীন ভোট আজ সহিত্যিক মীর মোশাররফ স্কুলের প্রাচীর সংস্কার হচ্ছে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে। সরকারি মালিকানাধীন ২৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান লোকসানে চলছে হজের ভিসায় নতুন বিধি-নিষেধ জারি গুণী শিক্ষক মোসা. আখতার বানুর অবসজনিত বিদায় অনুষ্ঠান রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের ক্যাপ বিতরণ

টাকার মান আরও কমেছে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ মে, ২০২২

আরেক দফা কমলো টাকার মান। বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে মার্কিন ডলারের দাম। ফলে ডলারের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রা টাকা মান হারাচ্ছে। একদিনেই ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে গেছে ২৫ পয়সা। আর গত ১৪ দিনে দুই দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন হয়েছে ৫০ পয়সা। সবশেষ মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। একদিন আগেও এক ডলারে লেগেছিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। আর গত এপ্রিলের ২৭ তারিখে ছিল ৮৬ টাকা ২০ পয়সা। তবে ব্যাংকগুলো নগদ ডলার বিক্রি করছে এর চেয়ে তিন থেকে পাঁচ টাকা বেশি দরে। ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৩ টাকায়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে একদিকে ব্যাপক হারে আমদানির চাপ বেড়েছে ফলে আমদানির দায় পরিশোধে বাড়তি ডলার লাগছে। কিন্তু সেই তুলনায় রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়েনি। ফলে ব্যাংক ব্যবস্থা ও খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দি?য়ে?ছে। যে কারণে টাকার বিপরীতে বাড়ছে ডলারের দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর চাহিদার বিপরীতে ডলার বিক্রি করছে। এতে কমছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তারপরও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না ডলার।
২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়। ২০২১ সালের আগস্টের শুরুতেও আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের মূল্য একই ছিল। এরপর ৩রা আগস্ট থেকে দুই এক পয়সা করে বাড়তে বাড়তে গত ২২শে আগস্ট প্রথমবারের মতো ৮৫ টাকা ছাড়ায়। এরপর চলতি বছরের ৯ই জানুয়ারি বেড়ে ৮৬ টাকায় পৌঁছায়। এরপর ২২শে মার্চ পর্যন্ত এ রেটেই স্থির ছিল। পরে গত ২৩শে মার্চ আন্তঃব্যাংকে আরও ২০ পয়সা বেড়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ২৭শে এ?প্রিল আরও ২৫ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। সর্বশেষ ১০ই মে আরও ২৫ পয়সা বাড়ে। ফলে এখন আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম গিয়ে ঠেকেছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড মূল্য। অর্থাৎ গত ৯ মাসের ব্যবধানে প্রতি ডলারে দর বেড়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মূলধনীয় যন্ত্রপাতি ও পণ্য আমদানি বেশি হওয়ায় ডলারের চাহিদা বেশি। তাই ডলারের রেট বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার বিশ্লেষণ করে ডলারের দাম ঠিক করে। কোনো সময় টাকার অবমূল্যায়ন করে। এখন বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করেছে এখন ডলারের দাম বাড়ানো উচিত। তাই বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, বাজার বিশ্লেষণ করে যতক্ষণ বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করে ঠিক রাখার প্রয়োজন ছিল ততক্ষণ ঠিক রেখেছে। এখন বাড়ানো প্রয়োজন মনে করেছে তাই বাড়িয়েছে।
চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭শে এ?প্রিল পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪৬০ কোটি (৪.৬০ বিলিয়ন) ডলার বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত অর্থবছরের আগে সেটিই ছিল সর্বোচ্চ ডলার কেনার রেকর্ড ক?রে?ছিল আর্থিক খাতের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
প্রযুক্তি সহায়তায়: রিহোস্ট বিডি