1. rashidarita21@gmail.com : bastobchitro :
কুষ্টিয়ায় মুচলেকা দিয়েও দৌরাত্ব কমেনি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নিষিদ্ধ যানের, বেড়েছে ভোগান্তি | Bastob Chitro24
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হারল বাংলাদেশ মাঝ আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, বিমানযাত্রীর মৃত্যু রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার পর সহায়তা চেয়েছিল ইরান: যুক্তরাষ্ট্র বিজেপি ৪০০ পার করলে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যাবে ডেঙ্গু নিয়ে মিথ্যাচার করছেন মেয়র তাপস: সাঈদ খোকন বাজারভিত্তিক সুদহারে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত বাংলাদেশ ব্যাংকের কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী কালচারাল অফিসার সুজন রহমানের পারিবারিক সংগঠনের সন্ধান ১৩৯ উপজেলায় দলীয় প্রতীকহীন ভোট আজ সহিত্যিক মীর মোশাররফ স্কুলের প্রাচীর সংস্কার হচ্ছে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে। সরকারি মালিকানাধীন ২৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান লোকসানে চলছে

কুষ্টিয়ায় মুচলেকা দিয়েও দৌরাত্ব কমেনি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নিষিদ্ধ যানের, বেড়েছে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ মে, ২০২২

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়েও দৌরাত্ব কমেনি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের। আগেই মতোই গ্রামীণ সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ এসব যানবাহন। অথচ এসব যানবাহনের নেই সড়কের চলার লাইসেন্স। মজবুত ব্রেক না থাকলেও যানবাহনগুলো চলে বেপরোয়া গতিতে। বিকট শব্দ করে চলা এই যানবাহনে বাজানো হয় হাইড্রোলিক হর্ন। যানবাহনে বালু, মাটি, ধুলাসহ যাবতীয় মালামাল বহনের সময় থাকে না ঢাকনা। সড়কের ওপরে পড়ছে মালামালগুলো। এতে অন্যান্য যানবাহন ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ভোগান্তি। শব্দ ও বায়ুদূষণে অতিষ্ঠ গ্রামাঞ্চলের মানুষ। প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। যদিও প্রয়োজনের তাগিদে মুচলেকা প্রদানের মাধ্যমে মৌখিকভাবে যানবাহনের চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু মুচলেকার কোনো শর্তই মানছেন না নিষিদ্ধ এসব যানের মালিক ও চালকেরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যানবাহনগুলো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণের প্রয়োজনের তাগিদে শর্ত সাপেক্ষে চলছে এসব যান। শর্ত না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, সম্প্রতি ইউএনওর কাছে চালক ও মালিকেরা অঙ্গীকার করেছেন যে, তারা মুচলেকার পর হতে রাস্তার বা জনগণের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি ব্যবহার করবেন না। অনভিজ্ঞ লোকের কাছে গাড়ি চালাতে দেবেন না। অতিরিক্ত মাল বহন করবেন না। অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাব না। মাটি কাদা বালি বোঝায় করলে তা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখবেন। রাস্তায় ফেলবেন না। রাস্তায় মাটি কাদা বালি পড়লে নিজ দায়িত্বে সেগুলো পরিষ্কার করবেন। এ অঙ্গীকারনামার ব্যত্যয় ঘটলে যেকোনো আইনগত দন্ডের তাদের বক্তব্য থাকবে না। কিন্তু বাস্তবে চালক ও মালিক মুচলেকার কোনো শর্তই পালন করছেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলাকাবাসী জানান, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যানবাহনগুলোর দৌরাত্ব কমেনি। তারা আগেই মতো হাইড্রোলিক হর্ন বাজিয়ে বেপরোয়া গতিতে সড়ক দাপাচ্ছে। মালামালগুলোর কোনো ঢাকনা থাকছে না। সড়কের ওপর মালামাল পড়ে অন্যান্য যানবাহন ও জনগণের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। উপজেলার যদুবয়রা, পান্টি, বাগুলাট, চাপড়া, শিলাইদহ ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মাটি, কাঁদা মাটি, বালু, ধুলা, ইটসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে সড়কে চলছে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নিষিদ্ধ যান। হাইড্রোলিক হ্রনের সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে বেপরোয়া গতি। মালামালের ওপরে কোনো ঢাকনা নেই। মালামালগুলো সড়কে পড়ছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের কোনো বৈধতা নেই। তবে মাঝে মাঝেই মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল বলেন, ‘ইতিমধ্যে গাড়িচালক ও মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে। তাছাড়াও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের আলাদাভাবে চিঠি করে দেওয়া হবে তারা যেন নিজেরা নিয়ন্ত্রন করে। এবং যে সকল বিধিনিষেধ দেওয়া আছে সেই শর্ত ভাঙলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
প্রযুক্তি সহায়তায়: রিহোস্ট বিডি